সারোয়ার সবুজ:-বর্ষার জলাবদ্ধতায় সৃষ্ট মশার লার্ভা ধ্বংস করে পৌরবাসীকে মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি দিতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন গোদাগাড়ী পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ। তাঁর নির্দেশনায় এবং স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মোহাঃ সেমাজুল হক-এর তত্ত্বাবধানে পৌর এলাকায় শুরু হয়েছে মশক নিধন কার্যক্রম।
মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই পদক্ষেপকে জরুরি মনে করছেন কর্তৃপক্ষ।
১৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকালে পৌর এলাকার ড্রেনের জলাবদ্ধ স্থানে স্প্রে মেশিন দিয়ে মশার লার্ভা নষ্ট করার লক্ষ্যে ‘লার্ভি সাইড’ কীটনাশক ব্যবহার শুরু করা হয়। এই লার্ভা ধ্বংসকারী কীটনাশক ব্যবহারে জলাবদ্ধতার কারণে জন্ম নেওয়া মশার বংশবিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মোহাঃ সেমাজুল হক জানান, মশার লার্ভা নষ্ট করার জন্য লার্ভি সাইড কীটনাশক ব্যবহারের এই কার্যক্রম আগামীতেও চলমান থাকবে। বর্তমানে পৌরসভার ৪ ও ৬ নং ওয়ার্ড পর্যায়ে মশা নিধন কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। এই স্প্রে কার্যক্রমে নিয়মিতভাবে ২ জন শ্রমিক কাজ করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ জানান, “বর্ষার কারণে গোদাগাড়ী পৌর এলাকার ড্রেন ও খালে পানি জমে আছে। এই জলাবদ্ধতায় প্রচুর মশার লার্ভা তৈরি হয়েছে। এই লার্ভা নষ্ট করা অত্যন্ত জরুরি, অন্যথায় মশার উপদ্রব আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে। সে কারণেই আমরা মশা নিধন কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। এটি পর্যায়ক্রমে আমরা পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে ব্যবহার করবো।”
কর্তৃপক্ষের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপ পৌরবাসীকে মশার কামড় ও মশাবাহিত রোগ থেকে স্বস্তি দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।