1. admin@godagarinews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোদাগাড়ীতে পরিবেশ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ২ মামলায় ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা জরিমানা।  গোদাগাড়ীতে রক্ষাগোলা সদস্যদের পরিবেশবান্ধব বালাই দমন প্রশিক্ষণ সমাপ্ত গোদাগাড়ীর কৃতি সন্তান শিহাব শাহরিয়ার রাজশাহী জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব মনোনীত গোদাগাড়ীতে মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব: প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি রাজশাহীতে দোয়া ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হলো সাংবাদিক নেতা মুহম্মদ আলতাফ হোসেনকে সার-ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে কৃষক দল নেতার সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত “ভুয়া ফেসবুক আইডিতে সাংবাদিকদের চরিত্রহরণ” নেপথ্যের কুশীলবদের গ্রেফতারে আরএমপিকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম গোদাগাড়ীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। বন্দি নির্যাতন ও অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ গাইবান্ধা কারাগারে জেলার মুনির ও পিআই আরিফের বেপরোয়া সিন্ডিকেট

গোদাগাড়ীতে মাদরাসা ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ: দাঁত ভাঙা ও পেটে রক্তক্ষরণের ঘটনায় তোলপাড়

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
  • ২২৭ বার পঠিত

সারোয়ার সবুজ:-

রাজশাহী গোদাগাড়ীর রেলবাজার দারুস সুন্নাহ ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এক ছাত্রকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার শিক্ষক ইয়াসিন বিন রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে। আহত ছাত্র জুবায়ের হোসেনের (১৪) একটি দাঁত ভেঙে যাওয়া, দুটি দাঁত নড়ে যাওয়া এবং তলপেটে রক্ত জমাট বাঁধার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার পরিবার ও স্থানীয়রা।

তবে অভিযুক্ত শিক্ষকের দাবি, ছাত্রটি দৌড়ে পালানোর সময় পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। আহত ছাত্রের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২৯ জুন, ২০২৬) বিকেলে মোবাইল ব্যবহারের বিষয়কে কেন্দ্র করে শিক্ষক ইয়াসিন জুবায়েরকে মারধর করেন। আঘাতের তীব্রতায় জুবায়েরের একটি দাঁত ভেঙে যায় দুটি দাত লড়ে যাই এবং তলপেটের ভেতর মারাত্মক জখম হয়ে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। বর্তমানে সে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

​আহত ছাত্রের বাবা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শিক্ষক যে দাবি করছেন আমার ছেলে বাথরুমে পড়ে আহত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তাকে মারধর করেই আহত করা হয়েছে। ডাক্তার এবং আমার ছেলের ভাষ্যমতে আঘাতের চিহ্ন ও শারীরিক অবস্থা সেটিই প্রমাণ করে।

প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল, যা বর্তমানে চিকিৎসার মাধ্যমে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।” তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ইয়াসিনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজে কথা না বলে তার এক বন্ধুকে দিয়ে বক্তব্য দেন। ওই ব্যক্তি দাবি করেন, মাদ্রাসার কিছু ছাত্র মোবাইলে আসক্ত ছিল এবং নিয়মের বাইরে বাইরে গিয়ে আড্ডা দিচ্ছিল। সেই শৃঙ্খলা ফেরাতে গিয়ে শিক্ষক মোবাইল জব্দ করতে গেলে ছাত্রটি পালানোর সময় টয়লেটের দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে বা পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। এ সময় তিনি প্রতিবেদককে একটি নির্দিষ্ট বয়ান পাঠিয়ে সে অনুযায়ী সংবাদ প্রকাশের জন্য চাপ প্রয়োগ করেন।

দারুস সুন্নাহ ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার সেক্রেটারি আবুল কাশেম জানান, ঘটনার দিনই তারা ছাত্রটিকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন এবং চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহন করছেন। তিনি বলেন, “ঘটনাটি মোবাইল কেড়ে নেওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটেছে। আমরা অভিযোগ বা পাল্টা অভিযোগে না গিয়ে ছাত্রটির সুচিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, একজন শিক্ষক কোনোভাবেই ছাত্রের গায়ে এইভাবে হাত তুলতে পারেন না! তারা এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষী শিক্ষকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

​বর্তমানে শিশু জুবায়েরের শারীরিক অবস্থা নিয়ে তার পরিবার ও স্বজনরা দুশ্চিন্তায় সময় কাটাচ্ছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজে তার চিকিৎসা চলমান রয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ গোদাগাড়ী নিউজ 24
Theme Customized By Shakil IT Park