1. admin@godagarinews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোদাগাড়ীতে পরিবেশ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ২ মামলায় ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা জরিমানা।  গোদাগাড়ীতে রক্ষাগোলা সদস্যদের পরিবেশবান্ধব বালাই দমন প্রশিক্ষণ সমাপ্ত গোদাগাড়ীর কৃতি সন্তান শিহাব শাহরিয়ার রাজশাহী জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব মনোনীত গোদাগাড়ীতে মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব: প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি রাজশাহীতে দোয়া ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হলো সাংবাদিক নেতা মুহম্মদ আলতাফ হোসেনকে সার-ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে কৃষক দল নেতার সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত “ভুয়া ফেসবুক আইডিতে সাংবাদিকদের চরিত্রহরণ” নেপথ্যের কুশীলবদের গ্রেফতারে আরএমপিকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম গোদাগাড়ীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। বন্দি নির্যাতন ও অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ গাইবান্ধা কারাগারে জেলার মুনির ও পিআই আরিফের বেপরোয়া সিন্ডিকেট

মাজার ভেঙ্গে মাদরাসা নির্মাণ: আইনি সহায়তা পাচ্ছেন না অভিযোগ ভক্তদের

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৮৪৮ বার পঠিত

সারোয়ার সবুজ :-রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মাজার ভেঙ্গে মাদরাসা নির্মান করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার রাজাবাড়ি হাট এলাকায় অবস্থিত হযরত শাহ সুফি মোকাররম হোসেন জঙ্গি (রহ) মাজারের স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়ে বাড়ি এবং মাদ্রাসা নির্মান করছেন কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি।

এ মর্মে গোদাগাড়ী মডেল থানা, গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসক, রাজশাহী জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার পাচ্ছে না মাজার ভক্তরা। আইনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মাজারের খাদেম সজিব হাসান তরিকুল।

বাধা দিতে গিয়েও মারধরের শিকার হয়েছেন ঐ খাদেম পরিবার। ভেঙে দেওয়া হয়েছে তার ছেলের হাত।

রাজশাহী অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেও হাবিবুল হাসান নামক এক ভক্ত একটি মামলার আবেদন করেন।এতে প্রতিপক্ষ করা হয় মৃত নকিমুদ্দিনের ছেলে শামসুল হক (৫০)মৃত: আবুল কালাম লালুর ছেলে মোঃ রনি,

মোঃ সেন্টুর ছেলে মোঃ সম্রাট,-মোঃ টিয়া আলমের ছেলে মোঃ ইমন হাসান,মন্টুর ছেলে সোহাগ, মৃতঃ একদিলের ছেলে মোঃ আমির হোসেন,মৃত: আলী হোসেনের ছেলে তাজমুল,মৃতঃ গিয়াস উদ্দিনের ছলে
আনারুল,মোঃ শামসুল হকের ছেলে হাফেজ মোঃ আরিফুল হোসেন, তৈয়ব আলীর ছেলে মোঃ ইউনুস আলী বুধু, শামসুল হকের ছেলে আশিক,টিয়ারুলের ছেলে মোঃ জসিম,মৃত নাবেদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম, মাইনুল ইসলামের ছেলে শাহদুল ইসলাম বাবুসহ মোট ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করা হয়। খোঁজ নিয়ে ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায় বিজয়নগর মোজাই মাজারের নামে পুকুর ভিটা ধানি মিলিয়ে মোট ১৪ একর ৫৭ শতক সম্পত্তি। এই সম্পত্তি গ্রাস করতেই মাজার ভেঙে মাদ্রাসার পায় তারা করছে আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম, সাহদুল ইসলাম বাবু, মাইনুল ইসলাম ও হাফেজ আরিফুল।

এদের মধ্যে আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম ও সাহদুল ইসলাম বাবু মাজারের প্রায় ৩০ বিঘা সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছেন মাইনুল ইসলাম ৬ বিঘা।

হাফেজ আরিফুল ১৯৯৮ সালে মাজারের সম্পত্তিতে একটি মাদ্রাসা নির্মাণ করেন এবং সেটি ২০০৩ সালে মিজানুর নামক একজন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে! মিজানুর আবার আজিমের কাছে ৫০ হাজার টাকায় মাদ্রাসাটি বিক্রয় করে বাড়ি করার জন্য।

আবারও হাফেজ আরিফুল ২০০৯ সালে মাজারের সম্পত্তিতে আরেকটি মাদ্রাসা নির্মাণ করে এবং সেটিও বিক্রি করে দেয়! এবার এই চক্রের নজর পড়েছে মাজারের শেষ চিহ্নটুকু তেও।

মূলত মাজারের শেষ চিহ্ন মুছে ফেলে সেইখান থেকে মাজারের সম্পত্তিটুকু নিশ্চিন্তে ভোগ করতে চান এইচক্র বলে জানান এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে আলোচনার এক মুহুর্তে গোদাগাড়ী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আবুল হায়াত বিষয়টি দেখার জন্য প্রেমতুলি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি মাখছুদুর রহমানকে শক্ত আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেন।

কিন্তু মাখছুদুর রহমানের ভূমিকা তেমন উপলব্ধি করা যায়নি বলে জানান ভক্তরা।

এদিকে ভক্তদের অভিযোগ, প্রেমতুলি পুলিশের আইসি ঘটনাস্থলে গেলেও কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। বরং তিনি পকেট ভারি করে ফিরে আসছেন। ইতিহাস ঐতিহ্যের প্রতিক হযরত শাহ সুফি মোকাররম হোসেন জঙ্গি (রহ) মাজার। যা দীর্ঘদিন ধরেই মাজার ভক্তরা এর খেদমত করে আসছেন।

এ বিষয়ে জানতে আইসি মাখছুদুর রহমানকে ফোন করলে তিনি ফোনে বক্তব্য দিবেন না বলে জানিয়ে দেন।

গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব রুহুল আমিন নির্মান কাজ বন্ধ রাখার জন্য প্রতিপক্ষের লোকদের কড়া নির্দেশ দেন। তারপরও রহস্যজনক কারনে তারা নির্মাণ কাজ বন্ধ করছেন না।কোথায় গেলে কার কাছে গেলে মাজারটি রক্ষা করা যাবে এই প্রশ্ন করেন খাদেম তরিকুল ইসলাম।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ গোদাগাড়ী নিউজ 24
Theme Customized By Shakil IT Park