1. admin@godagarinews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোদাগাড়ীতে পরিবেশ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ২ মামলায় ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা জরিমানা।  গোদাগাড়ীতে রক্ষাগোলা সদস্যদের পরিবেশবান্ধব বালাই দমন প্রশিক্ষণ সমাপ্ত গোদাগাড়ীর কৃতি সন্তান শিহাব শাহরিয়ার রাজশাহী জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব মনোনীত গোদাগাড়ীতে মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব: প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি রাজশাহীতে দোয়া ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হলো সাংবাদিক নেতা মুহম্মদ আলতাফ হোসেনকে সার-ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে কৃষক দল নেতার সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত “ভুয়া ফেসবুক আইডিতে সাংবাদিকদের চরিত্রহরণ” নেপথ্যের কুশীলবদের গ্রেফতারে আরএমপিকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম গোদাগাড়ীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। বন্দি নির্যাতন ও অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ গাইবান্ধা কারাগারে জেলার মুনির ও পিআই আরিফের বেপরোয়া সিন্ডিকেট

রাজশাহী গোদাগাড়ীতে শ্রীপাঠ খেতুরী ধামে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ, ট্রাস্ট কমিটির পদত্যাগের দাবি

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৫৭০ বার পঠিত

সারোয়ার সবুজ:- রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার শ্রীপাঠ খেতুরী ধামে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভক্তদের অভিযোগ, মন্দিরের ম্যানেজার গোবিন্দ পাল মন্দির পরিচালনার অর্থের অপব্যবহারসহ ভক্তদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় প্রায় তিন শতাধিক গ্রামবাসী ও ভক্তদের উপস্থিতিতে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় গোদাগাড়ী কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভাপতি শান্ত কুমার মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক নয়ন কুমার শীল, এবং গৌরাঙ্গ ট্রাস্ট বোর্ডের ট্রাস্টি সুনন্দন সরকার রতন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ভক্ত ও এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, মন্দিরে ভক্তদের জন্য বরাদ্দ করা প্রসাদ ও চালের একটি বড় অংশ ম্যানেজার গোবিন্দ পাল বিক্রি করেন। বাইরে থেকে আসা ভক্তদের জন্য রান্না করা প্রসাদ ১৫০ টাকা প্লেট হিসেবে বিক্রি করা হয় এবং রাত্রিযাপনের জন্য আলাদা ভাড়া আদায় করা হয়। গরিব ভক্তরা টাকা দিতে না পারলে প্রসাদ না পেয়ে ফিরে যাওয়ার ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে।

ট্রাস্টি সুনন্দন সরকার রতন অভিযোগ করেন, “গোবিন্দ পাল শুধু অর্থ আত্মসাৎ করেই ক্ষান্ত নন, তিনি হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত। এমনকি খামারি প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত ২০ হাজার টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, অতীতেও এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলেও ম্যানেজার গোবিন্দ পাল কোনো শাস্তি পাননি। বরং মন্দির পরিচালনা কমিটির নীরবতায় তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

অপরদিকে, ম্যানেজার গোবিন্দ পাল তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এসব অভিযোগ ষড়যন্ত্রমূলক। আমি এসবের সঙ্গে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”

এদিকে ভক্ত ও এলাকাবাসী বর্তমান ট্রাস্ট কমিটির পদত্যাগ দাবি করেছেন। তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ গোদাগাড়ী নিউজ 24
Theme Customized By Shakil IT Park