স্টাফ রিপোর্টার
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মাদক ব্যবসায়ী সহ ইউপি সদস্যের হামলায় পুলিশ সদস্য সহ তিনজন আহত হয়েছে গোদাগাড়ী মডেল থানায় সাতজনকে আসামি করে মামলা করেছেন বাদি মোল্লা ফিরোজ মামলা নং -০৪।
মামলার প্রধান আসামি মাটিকাটা ইউপির ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য তোজাম্মেল হক (৫৫) তার ছেলে রাসেল, উজানপাড়া গ্রামের লতিফুর রহমানের ছেলে মিলন(৩০) রাসেল (৩০) মৃত আবদুল হাইয়ের ছেলে একরামুল হক(৫০) একরামুল হকের স্ত্রী শ্যামলী বেগম (৪৫) ও তাদের ছেলে আবু তাহের (২২) সহ অজ্ঞাত আরো ৯/১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে পলাতক। মামলার এজাহার ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়,বাদী মোল্লা ফিরোজের পরিবারের সাথে আসামিদের বসতভিটার জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে ফিরোজকে তার বাড়ির সামনে পেয়ে আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে হাতে বাঁশের লাঠি, শাবল, লোহার রড ও হাসুহা নিয়ে ঘিরে ফেলেন এবং গালিগালাজ ও এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করেন।
এ সময় ফিরোজের চিৎকারে তার মামা পুলিশ সদস্য নাসির উদ্দিন (৪৫) তাকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে আসলে আসামিরা হত্যার উদ্দেশ্যে শাবল দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন,এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ফিরোজ ও তার মামার চিৎকারে ফিরোজের মা উম্মে সালমা (৪৬)তাদের উদ্ধারের জন্য গেলে তাকেও মারধোর ও শ্লীলতাহানি করে ছিনিয়ে নিয়ে যায় গলার স্বর্ণের চেইন।
বাদি মোল্লা ফিরোজ বলেন ইউপি সদস্য তোজাম্মেল হক অবৈধ ব্যবসা ও ক্ষমতার দাপটে আমাদের উপরে অন্যায় ভাবে আক্রমণ করেছে তার কাছে গ্রামের সবাই অসহায় আমার মামা পুলিশ সদস্য নাসির উদ্দিন মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে এখন মৃত্যু শয্যায় আমরা তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার দেখতে চাই।
গ্রামটির অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায় ফিরোজ ও তার পরিবারের উপরে হামলা কারীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত টাকা আর ক্ষমতার দাপটে তারা মানুষকে মানুষ মনে করেন না যেটা ভালোভাবে তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ইউপি সদস্য তোজাম্মেল হকের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।
গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রুহুল আমিন বলেন আহত ব্যক্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন এই ঘটনায় ইউপি সদস্য সহ সাতজনের নামে কমলা হয়েছে আসামিরা ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে আসামিদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।