স্টাফ রিপোর্টার
রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা বকচর , চর কোদালকাটি সিমান্ত দিয়ে পাচার হওয়া হেরোইন চক্রের মুল হোতা দুরুল।

দুরুলের সাবেক বাড়ি সিমান্ত এলাকা বকচর এলাকায় হওয়ার ফলে সীমান্তবর্তী সিন্ডিকেটের সাথে যোগসাজশে হেরোইন এনে দুরুলের নিজস্ব বলয়ের লোকের দ্বারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে। দুরুল সাম্রাজ্যের ভিত্তি এতটাই শক্ত স্থানীয় প্রশাসন তার প্রজা। তার বিশাল চক্রের মাধ্যমে পাচার হয় হেরোইন। এই হেরোইন রাজধানী সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পরলেও বন্ধ হয়না দুরুলের হেরোইন কারবার। জেলে থেকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে হেরোইন চক্র।চক্রটি সকল মহল ম্যানেজ করেই এই কারবার করার কথা জানিয়েছন বিশ্বস্ত একটি সূত্র। সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় মাদক সম্রাট দুরুলকে সবাই কুর্ণিশ করে চলতে হয়। দুরুল উপজেলার মেডিকেল পুর্বপাড়া এলাকার মেছের আলীর ছেলে।
দুরুলের রয়েছে, মেডিকেল পুর্বপাড়ায় দ্বিতল আলিশান বাড়ি,বাড়ির সম্মুখে কোটি দিয়ে কিনেছেন ১০ কাঠা জমি।এছাড়া তার দুই ছেলের নামেও রয়েছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ।
হেরোইন সেবন করে অনেক পিতা – মাতার স্বপ্ন ছাই হয়ে গেছে। কিশোর, যুবকরা আক্রান্ত এই মরন নেশায়। প্রথমে সেবন করতে ফ্রি দেয় এই চক্রটি পরবর্তীতে নেশাগ্রস্ত হয়ে গেলে নেশাগ্রস্ত যুবক, কিশোর গ্যাং গুলোকে হেরোইন পাচারে কাজে লাগান ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা দুরুল। অন্যদিকে দুরুলের বিরুদ্ধে রয়েছে গোদাগাড়ী থানায় একাধিক মাদকের মামলা। মামলা মরন নেশা হেরোইনের হিরোরা তোয়াক্কাই করেনা। কাড়ি কাড়ি টাকার মালিক বনেগেছে মাদক সম্রাট দুরুল । ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গোদাগাড়ীর স্থানীয় কিশোর ও যুবক। ব্যবসা বাড়াতে দুরুল কাজে লাগিয়েছেন তার দুই ছেলেকে।দুই ছেলে রাজা ও সোহলের বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক মাদক মামলা। তবে মাদক কারবারিরা যতই ক্ষমতাবান ও শক্তিশালী হোক না কেন তারা কোনভাবেই ছাড় পাবে না বলছেন প্রশাসন।