সারোয়ার সবুজ:- সংশ্লিষ্ট সবার সাথে আলাপ করে যেটা ভাল হবে সেটাই হবে।বন্দর যদি করা যায় তাহলে করা হবে। চেষ্টা করা হবে। একদিনে তো আর হবে না। কারণ রাস্তা ঘাট উন্নতি করতে হবে। 
সেটা কে করবে। বন্দরটা না হয় বিআইডব্লিউটি করল। এখানে কাস্টমস বুথ আছে। তারা কি কাজ করবে। এ নিয়ে উচ্চপর্যায়ে আলাপ করতে হবে। এখানে বসে আমি সিদ্ধান্ত দেব তা তো হবে না। কারণ এ ধরনের একটা ডিসিশন নিতে হলে সবপক্ষের সাথে আলাপ করতে হবে। আমি এখানে দাঁড়িয়ে বলতে পারব না। কারণ এর অনেকগুলো ট্রেডিশন আছে। রাস্তা কে বানাবে, এখানে পোর্ট অথরিটি কি করবে, কাস্টমস অথোরিটি কি করবে, এগুলো নিয়ে কথা বলতে হবে। তবে আমি আপনাদেরকে কথা দিয়ে যাচ্ছি।
বিভিন্ন জায়গায় উন্নয়নের পক্ষে আমি কাজ করি। প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে যা করা দরকার তাই করার চেষ্টা করছি। আমার এই ক্যাপাসিটিতে আমি প্রথম রাজশাহী এসেছি। আমি জানি রাজশাহী অঞ্চলের মানুষ অত্যন্ত সহযোগী এবং শান্তিপ্রিয়, উন্নয়নমুখী আমি যতটুকু দেখেছি।আমি ১৬ বছর পরে রাজশাহীতে এসেছি। আমি এটুকু কথা দিয়ে যাই আমি খুব পজিটিভ মানুষ। বিষয়টি পজিটিভলি দেখব তবে যেহেতু এটা রাষ্ট্রীয় ব্যাপার, তাই এগুলো রাস্তাঘাটে হয় না। তবে ছোট ছোট ডিসিশন হতে পারে যে, আচ্ছা ঠিক আছে এখানে রাস্তা তৈরি হবে এখানে বুথ তৈরি হবে।এখানে অনেকগুলো পার্টিই জড়িত। কাস্টমস জড়িত, নৌ বন্দর জড়িত, স্থল বন্দর জড়িত। সুতরাং। সুতরাং এটা একটা ডিসিশন হবে। তবে ডিসিশনটা আপনাদের পক্ষে যাতে হয় এটা আমি চেষ্টা করব। আপনাদের অনেক আগ্রহ আছে বোঝা যাচ্ছে। কারণ এ জায়গাতে পোর্ট হলে ব্যবসা-বাণিজ্য আরেকটু ত্বরান্বিত হবে।
