1. admin@godagarinews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোদাগাড়ীতে পরিবেশ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ২ মামলায় ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা জরিমানা।  গোদাগাড়ীতে রক্ষাগোলা সদস্যদের পরিবেশবান্ধব বালাই দমন প্রশিক্ষণ সমাপ্ত গোদাগাড়ীর কৃতি সন্তান শিহাব শাহরিয়ার রাজশাহী জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব মনোনীত গোদাগাড়ীতে মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব: প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি রাজশাহীতে দোয়া ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হলো সাংবাদিক নেতা মুহম্মদ আলতাফ হোসেনকে সার-ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে কৃষক দল নেতার সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত “ভুয়া ফেসবুক আইডিতে সাংবাদিকদের চরিত্রহরণ” নেপথ্যের কুশীলবদের গ্রেফতারে আরএমপিকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম গোদাগাড়ীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। বন্দি নির্যাতন ও অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ গাইবান্ধা কারাগারে জেলার মুনির ও পিআই আরিফের বেপরোয়া সিন্ডিকেট

গোদাগাড়ীর মাঠে দুলছে জিরা: স্বপ্ন বুনছেন বরেন্দ্রর কৃষকরা

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৩২৮ বার পঠিত

সারোয়ার সবুজ:- বরেন্দ্র অঞ্চলের তপ্ত মাটিতে এবার সুগন্ধ ছড়াচ্ছে জিরা। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে জিরার আবাদ শুরু হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার আলো দেখা দিয়েছে।

আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশের চাহিদা মেটাতে ও অর্থকরী ফসল হিসেবে জিরার চাষ এখন এই অঞ্চলের কৃষিতে এক বড় মাইলফলক।

​চলতি মৌসুমে গোদাগাড়ী উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ৩ বিঘা বা ১ একর জমিতে জিরার আবাদ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, বিঘা প্রতি জিরার গড় ফলন পাওয়া যাচ্ছে ১১০ কেজি। সেই হিসেবে ১ একর জমি থেকে প্রায় ৩৩০ কেজি জিরা উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। স্বল্প খরচ ও পরিশ্রমে অধিক লাভ হওয়ায় এই মসলা চাষে ঝুঁকছেন স্থানীয় কৃষকরা।

 

​বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) উদ্ভাবিত দেশের প্রথম উচ্চফলনশীল জাত ‘বারি জিরা-১’ চাষ করেই এই সফলতা এসেছে। এই জাতটির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

​উপযুক্ত মাটি: বেলে-দোঁআশ ও সুনিষ্কাশিত উর্বর মাটিতে এটি ভালো জন্মে।

​মাত্র ১০০ থেকে ১১০ দিনের মধ্যেই ফসল সংগ্রহ করা যায়। সঠিক পরিচর্যায় হেক্টরপ্রতি ৬০০-৮০০ কেজি পর্যন্ত ফলন সম্ভব।

​জিরা মূলত একটি রবি শস্য যা নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে বপন করা হয়। হেক্টরপ্রতি মাত্র ৮-১০ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়। ধান বা অন্যান্য ফসলের তুলনায় এতে সেচ ও সারের খরচ তুলনামূলক কম। এছাড়া বাজারে জিরার আকাশচুম্বী দাম থাকায় কৃষকরা হেক্টরপ্রতি মোটা অংকের মুনাফা অর্জনের স্বপ্ন দেখছেন।

​উপজেলা কৃষি অফিসার মরিয়ম আহমেদ বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে আমরা গোদাগাড়ীতে জিরার চাষ নিয়ে কাজ করছি। এটি অত্যন্ত লাভজনক একটি ফসল। খরচ ও পরিশ্রম কম হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে জিরা চাষে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। জিরার এই দেশীয় উৎপাদন আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশের চাহিদা মেটাতে এবং স্থানীয় অর্থনীতি মজবুত করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।”

​জিরা শুধু রান্নার মসলা নয়, এর রয়েছে ওষুধি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ। বরেন্দ্র অঞ্চলের শুষ্ক আবহাওয়া জিরা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে গোদাগাড়ী হয়ে উঠতে পারে দেশের অন্যতম ‘মসলা ভাণ্ডার’। সরকারি সহযোগিতা ও সঠিক প্রশিক্ষণ পেলে এই অঞ্চল থেকে জিরা বিদেশে রপ্তানি করাও সম্ভব হবে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ গোদাগাড়ী নিউজ 24
Theme Customized By Shakil IT Park