আমি মো: নাসির উদ্দিন, অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, সম্প্রতি কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার নাম জড়িয়ে একটি ভিত্তিহীন ও মানহানিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
গত ১৪ জুলাই একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে একটি কুচক্রী মহল আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত মাদক ব্যবসার অভিযোগসমূহ সম্পূর্ণ বানোয়াট, কাল্পনিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, আমি কোনো প্রকার মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত নই। অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পেশাগত সততার কারণে প্রভাবশালী একটি স্বার্থান্বেষী মহলের সাথে আমার বিরোধ তৈরি হয়।
সেই ক্ষোভ থেকেই আমাকে পরিকল্পিতভাবে মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, আমার বিরুদ্ধে থাকা দুটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তিকে ‘অপরাধী’ হিসেবে আখ্যায়িত করা আইনত দণ্ডনীয় এবং চরম নৈতিক স্খলন। এছাড়া, গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, আমাকে জড়িয়ে থানায় তোলা ছবিটি এআই (AI) প্রযুক্তিতে তৈরি একটি ভুয়া ছবি এবং তিনি আমাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না।
এমন সুস্পষ্ট তথ্যের পরেও একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে আমাকে ‘সিক্রেট মাফিয়া’ বা অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
সাংবাদিকতার মূলনীতি হলো বস্তুনিষ্ঠতা, সত্যতা যাচাই এবং উভয়পক্ষের বক্তব্য উপস্থাপন করা। অথচ আমাকে কোনো আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই একতরফা সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, যা আমার এবং আমার পরিবারের জন্য অপূরণীয় সম্মানহানি ঘটিয়েছে।
আমি সংশ্লিষ্ট সকল সংবাদমাধ্যমকে অনুরোধ জানাচ্ছি, সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখুন। আমি দেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী যে, আইনি প্রক্রিয়ায় সত্য প্রতিষ্ঠিত হবে এবং আমি নির্দোষ প্রমাণিত হব।
আমার বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারণার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
বিনীত,
মো: নাসির উদ্দিন