সারোয়ার সবুজ :-রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে বার বার হামলার শিকার একটি পরিবার সমাধান পাচ্ছেনা কোথাও বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগী পরিবার!
বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে বাপ ছেলে সহ বাড়ির মহিলাদের উপরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।এতে বাবা ফজলুর রহমান (৭০)এর মাথায় চারটি সেলাই ও ছেলে রায়হান আলি(২৯) এর মাথায় তিনটি সেলাই সহ রায়হানের মা(৫৫) ইটের আঘাতে পায়ে ব্যথা পান।
এ ঘটনায় রায়হান আলী বাদী হয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানায় ৭ জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়,গত ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় গোদাগাড়ী থানার ক্ষেতুর গ্রামের আমজাদ আলীর ৭ ছেলে একত্রিত হয়ে রায়হান ও তার পিতা ফজলুর রহমানকে লোহার রড, জিআই পাইপ ও হাসুয়া দ্বারা উপুর্যপুরি আঘাত করে। অনধিকার বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা করে।
এতে ফজলুর রহমানের মাথার উপরিভাগ ফেটে রক্তাক্ত হয়।রায়হান আলীর শরীর জুড়েও গুরুতর আঘাত করে হামলাকারীরা।
প্রেমতুলি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপস্থিতিতে হামলার ঘটনাটি ঘটে ও রহস্যজনক কারণে পুলিশ সদস্যরা নিরব ভূমিকা পালন করেছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
তবে ঘটনাস্থলে যাওয়া এসআই মিন্টু বলেন, ৯৯৯ ফোন পেয়ে আমরা ঘটনা স্থানে উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষকে প্রেমতলী মেডিকেলে পায় এবং তাদেরকে থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
বাদী রায়হান আলী জানান, আমজাদ আলী আমার বড় চাচা।তার ছেলেরা আমার চাচাতো ভাই। জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার চাচাতো ভায়েরা ৭ ভাই একত্রিত হয়ে প্রায় চারবার আমাদেরকে এভাবে মারধর করেছে এবং একইভাবে এর আগেও আমাদের বাপ ছেলের মাথায় প্রচুর সেলাই রয়েছে। এবারও আমাদেরকে বাড়িতে ঢুকে মারধর সহ আমার অটো গাড়ি ভাংচুর করে,এতে কমপক্ষে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করে তারা।
একই গ্রামের আকরাম, আকবর,বাবু,সেজান বলেন বেশ কয়েক বছর থেকে এই পরিবারটির ওপরে এভাবেই নির্যাতন করে আসছেন এই সাত ভাইয়েরা এবং তারা এভাবেই প্রতিনিয়ত বাসায় এসে মারধর করে এবং প্রাণনাথের হুমকি দেয়।
উল্লেখ, পুর্বেও মারধরের শিকার হয়ে চারবারে চারটি মামলা করেন ভুক্তভোগী পরিবার যেগুলো এখনো আদালতে চলমান রয়েছে
যার মামলা নং ৩৭৯, ৩৭৯, ৫১০,৫৩৪ মারধরের শিকার হয়ে মামলা করাই ক্ষিপ্ত হয়ে বারবার হামলা করে আসছে বিবাদী পক্ষ। সুষ্ঠু বিচার না পেলেও তারা আইনের কাছেই আশ্রয় খুঁজছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ( ভারপ্রাপ্ত) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন,আমরা অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।