1. admin@godagarinews24.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীতে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, আরেক শীর্ষ আসামি পলাতক গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনের সাথে রক্ষাগোলা সমন্বয় কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। গোদাগাড়ীতে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিভিন্ন সহায়তা প্রদান। পুঠিয়ায় তিন মাসব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন গোদাগাড়ীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা। গোদাগাড়ীতে গোরস্থান কমিটির বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ। ৫ বছর আইনি লড়াই শেষে গোগ্রামের চেয়ারম্যান পদ ফিরে পেলেন হজরত আলী কাকনহাটে বাল্যবিবাহের আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন: ২ মামলায় ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা। গোদাগাড়ীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত গোদাগাড়ীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

রাজশাহী গোদাগাড়ীতে শ্রীপাঠ খেতুরী ধামে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ, ট্রাস্ট কমিটির পদত্যাগের দাবি

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৫৩৫ বার পঠিত

সারোয়ার সবুজ:- রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার শ্রীপাঠ খেতুরী ধামে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভক্তদের অভিযোগ, মন্দিরের ম্যানেজার গোবিন্দ পাল মন্দির পরিচালনার অর্থের অপব্যবহারসহ ভক্তদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় প্রায় তিন শতাধিক গ্রামবাসী ও ভক্তদের উপস্থিতিতে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় গোদাগাড়ী কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভাপতি শান্ত কুমার মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক নয়ন কুমার শীল, এবং গৌরাঙ্গ ট্রাস্ট বোর্ডের ট্রাস্টি সুনন্দন সরকার রতন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ভক্ত ও এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, মন্দিরে ভক্তদের জন্য বরাদ্দ করা প্রসাদ ও চালের একটি বড় অংশ ম্যানেজার গোবিন্দ পাল বিক্রি করেন। বাইরে থেকে আসা ভক্তদের জন্য রান্না করা প্রসাদ ১৫০ টাকা প্লেট হিসেবে বিক্রি করা হয় এবং রাত্রিযাপনের জন্য আলাদা ভাড়া আদায় করা হয়। গরিব ভক্তরা টাকা দিতে না পারলে প্রসাদ না পেয়ে ফিরে যাওয়ার ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে।

ট্রাস্টি সুনন্দন সরকার রতন অভিযোগ করেন, “গোবিন্দ পাল শুধু অর্থ আত্মসাৎ করেই ক্ষান্ত নন, তিনি হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত। এমনকি খামারি প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত ২০ হাজার টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, অতীতেও এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলেও ম্যানেজার গোবিন্দ পাল কোনো শাস্তি পাননি। বরং মন্দির পরিচালনা কমিটির নীরবতায় তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

অপরদিকে, ম্যানেজার গোবিন্দ পাল তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এসব অভিযোগ ষড়যন্ত্রমূলক। আমি এসবের সঙ্গে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”

এদিকে ভক্ত ও এলাকাবাসী বর্তমান ট্রাস্ট কমিটির পদত্যাগ দাবি করেছেন। তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ গোদাগাড়ী নিউজ 24
Theme Customized By Shakil IT Park