1. admin@godagarinews24.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীতে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, আরেক শীর্ষ আসামি পলাতক গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনের সাথে রক্ষাগোলা সমন্বয় কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। গোদাগাড়ীতে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিভিন্ন সহায়তা প্রদান। পুঠিয়ায় তিন মাসব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন গোদাগাড়ীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা। গোদাগাড়ীতে গোরস্থান কমিটির বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ। ৫ বছর আইনি লড়াই শেষে গোগ্রামের চেয়ারম্যান পদ ফিরে পেলেন হজরত আলী কাকনহাটে বাল্যবিবাহের আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন: ২ মামলায় ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা। গোদাগাড়ীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত গোদাগাড়ীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

সাবেক ছাত্রলীগ সদস্য কাজী শফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহারের দাবি, স্থানীয়দের

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫
  • ৭০০ বার পঠিত

আমিন আলী,রাজশাহী 

রাসিক সাবেক মেয়র লিটন ও এমপি ফজলে হোসেন বাদশার আস্তাভাজন ও মদদপুষ্ট আ’লীগের দোসর কাজী শফিকুল ইসলাম। তার দাপট ও অপকর্মের গুঞ্জন এখন আদালত পাড়ায়। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কাজী শফিকুল ইসলাম বিগত দিনে সাবেক মেয়র এইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের আশীর্বাদপুষ্ট, আস্থাভাজন, সাহসী কর্মী, এবং সাবেক এমপি ফজলে হোসেন বাদশার ঘনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন। জানা যায় বিগত দিনে সাবেক মেয়র এইচ.এম. খায়রুজ্জামান লিটনের আশীর্বাদপুষ্ট, আস্থাভাজন, সাহসী কর্মী, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং সাবেক এমপি ফজলে হোসেন বাদশার ঘনিষ্ঠ অনুসারী কাজী শফিকুল ইসলাম। সাবেক স্বৈরাচার আ’লীগের ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় আ’লীগের দোসর শফিকুল ইসলাম কাজী হিসেবে রাসিক ৫নং ওয়ার্ডের দায়িত্ব পান।

গত ২৮/১০/২০২৩ তারিখে রাসিক ৪নং ওয়ার্ডের কাজী জহুরুল ইসলাম মৃত বরণ করেন। ফলে ৪নং ওয়ার্ডের দায়িত্ব নিতে দৌঁড়ঝাপ করেন এই কাজী শফিকুল ইসলাম। পরে রাসিক সাবেক মেয়র লিটনের সুপারিশে ৪নং ওয়ার্ডে অতিরিক্ত কাজী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

একাধীক কাজী সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত কাজীর দায়িত্বের মেয়াদ থাকে ১২০দিন। অথচো এই কাজি সেই মেয়াদ পূর্ণ করেছেন আরও ৫মাস পূর্বে। বর্তমানে তিনি বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই দায়িত্ব পালন করছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাজী শফিকুল ইসলাম, তিনি ৫নং ওয়ার্ডে সাবেক ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্যও তার ভাই মোঃ সিরাজুল ইসলাম ৫নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে কাজী শফিকুল ইসলাম ও সিরাজুল ইসলাম দুইভাই পূর্বের ন্যায় দাপটের সাথে তাদের কার্যক্রম চালালেও অজ্ঞাত কারনে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক কোন প্রকার পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়না। এমনই অভিযোগ স্থানীয়দের। কাজী শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বাল্য বিবাহ্ধসঢ় দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তিনি মহানগরীর রাজপাড়া এলাকায় চলতি মাসে বাল্য বিবাহ দিয়েছেন।

যাহার কোন তথ্য প্রমানাদি বা কাগজপত্র দেননি বলে জানা গেছে। তবে ওই এলাকার একাধীক স্থানীয়রা বাল্য বিবাহের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় বেআইনি ও অনৈতিক কর্মকান্ডে মাধ্যমে কোর্ট চত্বরে দাপটের সাথে চলাফেরা করছেন এই বিতর্কিত নিকাহ রেজিস্ট্রার।

তার বিরুদ্ধে রয়েছে বাল্যবিবাহ নিবন্ধন, ভুয়া কাবিননামা তৈরি, অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে অবৈধ বিয়ে রেজিস্ট্রি, ও আদালতের পরিবেশ নষ্ট করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা।

সার্বিক বিষয়ে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে কাজী শফিকুল ইসলাম জানান, কোর্টে আসেন সাক্ষাতে কথা হবে।

তিনি আরও বলেন, সার্বিক বিষয়ে জানতে হলে জেলা রেজিস্ট্রার স্যারের কাছে জানতে হবে। তবে কার সুপারিশে কাজী হয়েছেন এমন প্রশ্নের উত্তর তিনি এড়িয়ে যান।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ গোদাগাড়ী নিউজ 24
Theme Customized By Shakil IT Park