1. admin@godagarinews24.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীতে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, আরেক শীর্ষ আসামি পলাতক গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনের সাথে রক্ষাগোলা সমন্বয় কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। গোদাগাড়ীতে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিভিন্ন সহায়তা প্রদান। পুঠিয়ায় তিন মাসব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন গোদাগাড়ীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা। গোদাগাড়ীতে গোরস্থান কমিটির বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ। ৫ বছর আইনি লড়াই শেষে গোগ্রামের চেয়ারম্যান পদ ফিরে পেলেন হজরত আলী কাকনহাটে বাল্যবিবাহের আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন: ২ মামলায় ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা। গোদাগাড়ীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত গোদাগাড়ীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

গোদাগাড়ীতে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীদের পিটানোর দায়ে শিক্ষককে শোকজ

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৫১১ বার পঠিত

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি:- রাজশাহী গোদাগাড়ীতে শ্রেনী কক্ষের দেয়ালে শিক্ষককে নিয়ে আপত্তিকর কথা লেখা দেখে ক্ষিপ্ত শিক্ষক। কিন্তু কে লিখেছে! বলতে পারছে না কেউ! এমন কান্ডে তৃতীয় শ্রেণীর সকল ছাত্রীকেই বেধড়ক পিটিয়েছেন শিক্ষক।

শিশুদের শরীরে বেঁতের আঘাতের দগ দগে চিহ্ন দেখে হতবাক সবাই। এভাবে অন্তত ১৫ ছাত্রীকে পিটিয়েছেন সেই শিক্ষক। তবে তিনি কোন ছাত্রকে মারেননি।

অভিযুক্ত সেই শিক্ষকের নাম আজিজুল হক। তিনি উপজেলার ভাটোপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

ঘটনাটি গত ২৪ নভেম্বর (শনিবার) স্কুলে শিক্ষার্থীদের হইচই ও দেয়ালে শিক্ষককে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক লিখা নিয়ে ছাত্রীদের মারধর করা হয়। পরে এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, বিদ্যালয়ের দেয়ালে স্কুলশিক্ষক আজিজুল হককে ব্যাঙ্গ করে কিছু কথা লেখা ছিল।

ব্যাঙ্গাত্মক এসব কথা কে লিখেছে তা জানা যায়নি। তাই শ্রেণিকক্ষের সব ছাত্রীকে পিটিয়েছেন তিনি। তবে কোন ছাত্রকে মারধর করা হয়নি। পরে শরীরে এমন আঘাতের চিহ্ন নিয়ে ছাত্রীরা বাড়ি গেলে অভিভাবকেরা তা দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

পরবর্তীতে এক ছাত্রীর বাবা লিখিত অভিযোগ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল হায়াতের নিকট। ইউএনও শিক্ষা কর্মকর্তাকে অভিযোগ তদন্ত করতে দেন যথাযথ পদক্ষেদ নেয়ার নির্দেশ দেন।
এঘটনায় সোমবার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আল-মামুন এই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন।

তবে রোববার তিনি সরেজমিনে অভিযোগের তদন্তও করেন। এতে অভিযোগের সত্যতা পান। আজিজুল হক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছেও অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক বলেন, আমি ক্লাস নিলে এই শিক্ষার্থীরা হইচই করে।

কিন্তু কয়েকদিন আগে গিয়ে দেখলাম আরেক শিক্ষকের ক্লাসে তারা সুন্দরভাবেই বসে আছে। আমি জানতে চাইলাম আমার ক্লাসে কেন তারা হইচই করে? তখন এক ছাত্রী দাঁড়িয়ে বলে, স্যার আপনি তো একটা গাঁধা স্যার।
অন্য একজন শিক্ষকের সামনে ছাত্রীর মুখে এ কথা শুনে আমার মন খারাপ হয়।

পরদিন দেখি শ্রেণিকক্ষের দেয়ালে আমার সম্পর্কে আপত্তিকর কথা লেখা। আমার ধারণা এটা ছাত্রীরাই লিখেছে। তাই ১৫-১৬ জন ছাত্রীকে আমি মেরেছি। এরমধ্যে একজনের শরীরে দাগ বসে গেছে।

এঘটনায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আল-মামুন বলেন, অভিযোগ পেয়ে আমি (রবিবার) স্কুলে গিয়েছিলাম। আমি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। শিক্ষক আজিজুল হকও লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন।

তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। তিন দিনের মধ্যে তিনি জবাব দেবেন। তারপর এটি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাব। তিনিই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ গোদাগাড়ী নিউজ 24
Theme Customized By Shakil IT Park