1. admin@godagarinews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোদাগাড়ীতে পরিবেশ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ২ মামলায় ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা জরিমানা।  গোদাগাড়ীতে রক্ষাগোলা সদস্যদের পরিবেশবান্ধব বালাই দমন প্রশিক্ষণ সমাপ্ত গোদাগাড়ীর কৃতি সন্তান শিহাব শাহরিয়ার রাজশাহী জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব মনোনীত গোদাগাড়ীতে মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব: প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি রাজশাহীতে দোয়া ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হলো সাংবাদিক নেতা মুহম্মদ আলতাফ হোসেনকে সার-ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে কৃষক দল নেতার সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত “ভুয়া ফেসবুক আইডিতে সাংবাদিকদের চরিত্রহরণ” নেপথ্যের কুশীলবদের গ্রেফতারে আরএমপিকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম গোদাগাড়ীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। বন্দি নির্যাতন ও অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ গাইবান্ধা কারাগারে জেলার মুনির ও পিআই আরিফের বেপরোয়া সিন্ডিকেট

গোদাগাড়ীতে এন-৫৩ পেঁয়াজ চাষে বিপ্লব: আমদানিনির্ভরতা কমাতে আশার আলো

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩০৬ বার পঠিত

সারোয়ার সবুজ:-

দেশের বাজারে পেঁয়াজের সংকট মোকাবিলা ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ‘নাসিক এন-৫৩’। কৃষি অফিসের প্রণোদনা ও সঠিক পরামর্শে এই পেঁয়াজ চাষ করে বিঘা প্রতি ৮০ থেকে ১০০ মণ ফলন পাচ্ছেন কৃষকরা, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় মোট ১,১৫০ জন কৃষককে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের বীজ ও উপকরণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে মোট ১৫৩ হেক্টর জমিতে এই পেঁয়াজের চাষ হয়েছে, যার গড় ফলন হেক্টর প্রতি প্রায় ২৮ মেট্রিক টন।

কৃষকরা জানান, আগে সনাতন পদ্ধতিতে পেঁয়াজ চাষ করে বিঘা প্রতি মাত্র ৪০-৪৫ মণ ফলন পাওয়া যেত। এছাড়া বীজের উচ্চমূল্য ও অধিক পরিশ্রমের কারণে অনেকেই পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ হারিয়েছিলেন। তবে গত ৪-৫ বছর ধরে কৃষি অফিসের সহযোগিতায় এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজ চাষ করে চিত্র বদলে গেছে। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাসে যখন বাজারে পেঁয়াজের তীব্র সংকট থাকে, ঠিক তখনই এই পেঁয়াজ বাজারে আসায় কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন।

মাঠ পর্যায়ের কৃষকরা বলেন, “এই পেঁয়াজে খরচ ও পরিশ্রম অনেক কম। ফলনও আগের তুলনায় তিনগুণ বেশি। বাজারে চাহিদা থাকায় আমরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছি।” অনেক নতুন কৃষকও এই বাম্পার ফলন দেখে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

 

​গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার মরিয়ম আহমেদ বলেন, “গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মসলা ফসল। এটি আমাদের জাতীয় চাহিদা মেটাতে ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। কৃষকরা যাতে সঠিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে লাভবান হতে পারেন, সেজন্য আমরা মাঠ পর্যায়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।”

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ গোদাগাড়ী নিউজ 24
Theme Customized By Shakil IT Park