1. admin@godagarinews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোদাগাড়ীতে পরিবেশ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ২ মামলায় ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা জরিমানা।  গোদাগাড়ীতে রক্ষাগোলা সদস্যদের পরিবেশবান্ধব বালাই দমন প্রশিক্ষণ সমাপ্ত গোদাগাড়ীর কৃতি সন্তান শিহাব শাহরিয়ার রাজশাহী জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব মনোনীত গোদাগাড়ীতে মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব: প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি রাজশাহীতে দোয়া ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হলো সাংবাদিক নেতা মুহম্মদ আলতাফ হোসেনকে সার-ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে কৃষক দল নেতার সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত “ভুয়া ফেসবুক আইডিতে সাংবাদিকদের চরিত্রহরণ” নেপথ্যের কুশীলবদের গ্রেফতারে আরএমপিকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম গোদাগাড়ীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। বন্দি নির্যাতন ও অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ গাইবান্ধা কারাগারে জেলার মুনির ও পিআই আরিফের বেপরোয়া সিন্ডিকেট

প্রবাস ফেরত মাজহারুলের হাত ধরে গোদাগাড়ীতে কৃষি বিপ্লব: ২২ বিঘায় বরই ও বিশাল ফলের বাগান

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২২৩ বার পঠিত

সারোয়ার সবুজ:-

​বিদেশের মাটিতে হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে দেশে ফিরে অনেক তরুণই দিশেহারা হয়ে পড়েন। কিন্তু ব্যতিক্রম ঘটিয়েছেন রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার বেনিপুর এলাকার সাহসী উদ্যোক্তা মাজহারুল ইসলাম।

২০২০ সালে প্রবাস জীবন ছেড়ে স্থায়ীভাবে দেশে ফিরে তিনি গড়ে তুলেছেন প্রায় ৬৫ বিঘার এক বিশাল ও আধুনিক কৃষি প্রজেক্ট। যা এখন পুরো এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

​মাজহারুল ইসলামের এই বিশাল প্রজেক্টের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বরই বাগান। প্রায় ২২ বিঘা জমিতে তিনি গত ৬ বছর ধরে চাষ করছেন জনপ্রিয় তিন জাতের বরই:​চাইনা টক-মিষ্টি বরই​, বল সুন্দরী বরই​, থাই বড়ই

​তার বাগানের প্রতিটি গাছ এখন ফলের ভারে নুয়ে পড়ছে। উন্নত জাতের এই বরইগুলো বাজারে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায় আর্থিকভাবেও তিনি বেশ লাভবান হচ্ছেন।

​মাজহারুল ইসলামের এই ৬৫ বিঘার প্রজেক্টটি কেবল বরইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এটি মূলত একটি সমন্বিত ও আধুনিক ফলের বাগান। তার এই বাগানে বর্তমানে চাষ হচ্ছে: উন্নত জাতের কমলা, মাল্টা এবং ড্রাগন ফল। জিরা এবং উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের বীজ। পাশাপাশি বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে হলুদাভ সরিষার ক্ষেত।

​এই কৃষি প্রজেক্টটি কেবল মাজহারুল ইসলামের ভাগ্যের চাকা ঘোরায়নি, বরং এলাকার বেকারত্ব দূর করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তার এই প্রজেক্টে প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন।

​মাজহারুল ইসলাম জানান, এই বিশাল কর্মযজ্ঞ গড়ে তোলার পেছনে গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বিক পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতা তাকে ব্যাপক অনুপ্রাণিত করেছে। কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকি এবং আধুনিক চাষ পদ্ধতির দিকনির্দেশনা তাকে আজ একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

​মাটির টানে প্রবাস ছেড়ে আসা মাজহারুল ইসলাম প্রমাণ করেছেন, সঠিক পরিকল্পনা এবং পরিশ্রম থাকলে নিজ দেশের মাটিতেও সোনার ফসল ফলানো সম্ভব। গোদাগাড়ী বেনিপুর এলাকার এই প্রজেক্টটি এখন জেলার শিক্ষিত বেকার যুবকদের কাছে এক জীবন্ত অনুপ্রেরণার নাম।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ গোদাগাড়ী নিউজ 24
Theme Customized By Shakil IT Park