1. admin@godagarinews24.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীতে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, আরেক শীর্ষ আসামি পলাতক গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনের সাথে রক্ষাগোলা সমন্বয় কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। গোদাগাড়ীতে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিভিন্ন সহায়তা প্রদান। পুঠিয়ায় তিন মাসব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন গোদাগাড়ীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা। গোদাগাড়ীতে গোরস্থান কমিটির বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ। ৫ বছর আইনি লড়াই শেষে গোগ্রামের চেয়ারম্যান পদ ফিরে পেলেন হজরত আলী কাকনহাটে বাল্যবিবাহের আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন: ২ মামলায় ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা। গোদাগাড়ীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত গোদাগাড়ীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

প্রবাস ফেরত মাজহারুলের হাত ধরে গোদাগাড়ীতে কৃষি বিপ্লব: ২২ বিঘায় বরই ও বিশাল ফলের বাগান

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৮৫ বার পঠিত

সারোয়ার সবুজ:-

​বিদেশের মাটিতে হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে দেশে ফিরে অনেক তরুণই দিশেহারা হয়ে পড়েন। কিন্তু ব্যতিক্রম ঘটিয়েছেন রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার বেনিপুর এলাকার সাহসী উদ্যোক্তা মাজহারুল ইসলাম।

২০২০ সালে প্রবাস জীবন ছেড়ে স্থায়ীভাবে দেশে ফিরে তিনি গড়ে তুলেছেন প্রায় ৬৫ বিঘার এক বিশাল ও আধুনিক কৃষি প্রজেক্ট। যা এখন পুরো এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

​মাজহারুল ইসলামের এই বিশাল প্রজেক্টের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বরই বাগান। প্রায় ২২ বিঘা জমিতে তিনি গত ৬ বছর ধরে চাষ করছেন জনপ্রিয় তিন জাতের বরই:​চাইনা টক-মিষ্টি বরই​, বল সুন্দরী বরই​, থাই বড়ই

​তার বাগানের প্রতিটি গাছ এখন ফলের ভারে নুয়ে পড়ছে। উন্নত জাতের এই বরইগুলো বাজারে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায় আর্থিকভাবেও তিনি বেশ লাভবান হচ্ছেন।

​মাজহারুল ইসলামের এই ৬৫ বিঘার প্রজেক্টটি কেবল বরইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এটি মূলত একটি সমন্বিত ও আধুনিক ফলের বাগান। তার এই বাগানে বর্তমানে চাষ হচ্ছে: উন্নত জাতের কমলা, মাল্টা এবং ড্রাগন ফল। জিরা এবং উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের বীজ। পাশাপাশি বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে হলুদাভ সরিষার ক্ষেত।

​এই কৃষি প্রজেক্টটি কেবল মাজহারুল ইসলামের ভাগ্যের চাকা ঘোরায়নি, বরং এলাকার বেকারত্ব দূর করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তার এই প্রজেক্টে প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন।

​মাজহারুল ইসলাম জানান, এই বিশাল কর্মযজ্ঞ গড়ে তোলার পেছনে গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বিক পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতা তাকে ব্যাপক অনুপ্রাণিত করেছে। কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকি এবং আধুনিক চাষ পদ্ধতির দিকনির্দেশনা তাকে আজ একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

​মাটির টানে প্রবাস ছেড়ে আসা মাজহারুল ইসলাম প্রমাণ করেছেন, সঠিক পরিকল্পনা এবং পরিশ্রম থাকলে নিজ দেশের মাটিতেও সোনার ফসল ফলানো সম্ভব। গোদাগাড়ী বেনিপুর এলাকার এই প্রজেক্টটি এখন জেলার শিক্ষিত বেকার যুবকদের কাছে এক জীবন্ত অনুপ্রেরণার নাম।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ গোদাগাড়ী নিউজ 24
Theme Customized By Shakil IT Park